
বলটা গোলপোস্টের দিকে ছুটছে, কিন্তু একদম সোজা নয়। মাটিতে লেগে একটু লাফ দিল, তারপর যেন নিজের ইচ্ছেমতো বাঁক নিল। গ্যালারির ছোট্ট দর্শকেরা চেঁচিয়ে উঠতে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই গোলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোজিন্যা (Vozinha) চোখ সরালেন না। তাঁর দস্তানা খোলা, শরীর প্রস্তুত, মুখে তাড়াহুড়ো নেই। মনে হয় যেন তিনি বলের দুষ্টুমি আগেই বুঝে ফেলেছেন। এই রকম এক টানটান মুহূর্ত থেকেই ভোজিন্যা বিশ্বকাপ ২০২৬ স্টিকার রং করার পৃষ্ঠার মজা শুরু। এটি শুধু একজন গোলরক্ষকের ছবি নয়। এটি এমন এক ফুটবল দৃশ্য, যেখানে শিশু নিজের রং, নিজের আঁকা, নিজের কল্পনা আর নিজের ছোট্ট ম্যাচের গল্প যোগ করতে পারে।
ভোজিন্যা (Vozinha) নামটাই কেমন আলাদা, তাই না? শুনলেই মনে হয় মাঠের বন্ধুদের দেওয়া কোনো আদরের ডাকনাম। এই নামে পরিচিত খেলোয়াড়ের আসল নাম জোসিমার দিয়াস (Josimar Dias)। তিনি কেপ ভার্দে বা কাবো ভার্দে (Cabo Verde) দলের গোলরক্ষক হিসেবে পরিচিত। তাঁর গল্পটা শিশুদের জন্য দারুণ, কারণ এখানে শুধু ফুটবল নেই, আছে শান্ত মাথা, দলকে সামলানোর ক্ষমতা আর গোলপোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক ধরনের সাহস। ছোটবেলা থেকেই তিনি নাকি সতীর্থদের জায়গা বুঝিয়ে দিতেন, হাত দিয়ে ইশারা করতেন, ডিফেন্স সাজাতেন আর এমনভাবে খেলা দেখতেন যেন মাঠের ভেতর কী ঘটতে যাচ্ছে, তা আগেই আন্দাজ করতে পারেন। তাই ভোজিন্যা নামটি শুধু শব্দ নয়, একটি চরিত্রের মতো লাগে।
বাংলাদেশের শিশুরা ফুটবল খেলতে গেলে গোলপোস্ট বানাতে খুব বেশি কিছু লাগে না। কখনো দুই পাশে ইট, কখনো স্কুলব্যাগ, কখনো জুতা রেখেই গোল বানানো হয়ে যায়। তারপর কেউ একজন গোলকিপার হয়। বাইরে থেকে দেখতে সহজ মনে হলেও গোলরক্ষকের কাজ মোটেও সহজ নয়। বল কখনো নিচু হয়ে আসে, কখনো হঠাৎ লাফায়, কখনো কারও পায়ে লেগে দিক বদলায়। বন্ধুরা চেঁচায়, কেউ বলে বাঁয়ে যা, কেউ বলে ডানে, আর গোলকিপারকে চোখের পলকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ভোজিন্যার এই রং করার পৃষ্ঠা সেই পরিচিত মজাটাকে কাগজে নিয়ে আসে। শিশু চাইলে ভাবতে পারে, এই বলটি কি ধরা পড়বে, নাকি ভোজিন্যা ঝাঁপিয়ে পড়ে এক দুর্দান্ত সেভ করবেন?
এই স্টিকার পৃষ্ঠায় প্রথম রং কোথা থেকে শুরু হবে, সেটাও শিশুর নিজের সিদ্ধান্ত। কেউ হয়তো আগে দস্তানা রং করবে, কারণ গোলরক্ষকের দস্তানা তো একেবারে জাদুর জিনিসের মতো। লাল, নীল, হলুদ, সবুজ, কালো, কমলা, যেকোনো রং চলতে পারে। চাইলে দস্তানায় তারা, ঢেউ, ছোট ফুটবল, বজ্রের রেখা বা মজার নকশা আঁকা যায়। কেউ আগে জার্সি রং করবে। জার্সি হতে পারে বাস্তব ফুটবল ম্যাচের মতো, আবার হতে পারে একেবারে কল্পনার, যেখানে রংধনুর দাগ, ছোট ছোট গোলপোস্ট, বা বিশ্বকাপ ২০২৬ লেখা একটি ছোট চিহ্ন থাকে। শিশুর হাতে রং উঠলেই সাদা কাগজ ধীরে ধীরে নিজের ফুটবল মাঠ হয়ে যায়।
কেপ ভার্দের গল্পও এখানে কল্পনাকে আরও বড় করে। বাংলাদেশ থেকে দেশটি অনেক দূরের মনে হতে পারে, কিন্তু রং করার পৃষ্ঠায় দূরের জায়গাও খুব কাছে চলে আসে। কেপ ভার্দে মানেই মনে পড়তে পারে দ্বীপ, সমুদ্র, বাতাস আর খোলা আকাশ। শিশু চাইলে গোলপোস্টের পেছনে সমুদ্রের ঢেউ আঁকতে পারে। আকাশে মেঘ, মাঠের পাশে ছোট পতাকা, বলের চারপাশে বাতাসের ঘূর্ণি, কিংবা দূরে ছোট্ট দর্শকসারি আঁকতে পারে। মনে হতে পারে, দ্বীপের বাতাস বলটাকে একটু ঘুরিয়ে দিয়েছে, আর ভোজিন্যা সেই ঘূর্ণি পড়তে চেষ্টা করছেন। তখন ছবিটা শুধু রং করা থাকে না, পুরো একটি দৃশ্য হয়ে ওঠে।
এই পৃষ্ঠা ঘরে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়। শুধু প্রিন্ট করে নিলেই হলো। তারপর রঙিন পেন্সিল, মোমরং, স্কেচ পেন বা জলরং নিয়ে বসা যায়। কেউ ধীরে ধীরে রং করতে ভালোবাসে, কেউ আবার একদম ঝটপট উজ্জ্বল রং লাগিয়ে ফেলে। কেউ জালের ঘরগুলো সুন্দর করে আঁকবে, কেউ ঘাসে ছোট ছোট দাগ দেবে, কেউ বলের পেছনে দ্রুতগতির লাইন বানাবে। আবার কেউ হয়তো গ্যালারিতে ছোট ছোট মানুষ আঁকবে, যারা হাত তুলে চিৎকার করছে। একটি পৃষ্ঠাই কতভাবে বদলে যেতে পারে, সেটাই এই কাজের সবচেয়ে মজার দিক।
ভোজিন্যা (Vozinha) শিশুদের মনে আলাদা জায়গা করে নিতে পারে, কারণ তিনি গোল করা খেলোয়াড় নন, গোল বাঁচানো খেলোয়াড়। ফুটবলে সবাই অনেক সময় স্ট্রাইকারের কথা বলে, যে গোল করে আনন্দে দৌড়ায়। কিন্তু গোলরক্ষকের উত্তেজনা অন্যরকম। সে অপেক্ষা করে, দেখে, ভাবে, তারপর ঠিক সময়ে নড়ে। ভোজিন্যা গোলপোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে থাকলে মনে হয় পুরো ম্যাচ এক সেকেন্ডের জন্য থেমে গেছে। বল আসছে, জাল পেছনে আছে, দস্তানা প্রস্তুত। শিশুর রং ঠিক করে দিতে পারে পরের মুহূর্তে কী হবে। বল কি আকাশে উঠবে? মাটিতে গড়াবে? নাকি দারুণ বাঁক নিয়ে কোণায় যাবে?
যে শিশুরা সংগ্রহ করতে ভালোবাসে, তাদের জন্য এই স্টিকার রং করার পৃষ্ঠা আরও মজার। রং করা শেষ হলে ছবিটি কেটে মোটা কাগজে আটকানো যায়। ওপরের দিকে বড় করে লেখা যায় ভোজিন্যা (Vozinha)। নিচে লেখা যায় জোসিমার দিয়াস (Josimar Dias), আর এক কোণে কেপ ভার্দে বা কাবো ভার্দে (Cabo Verde)। চারপাশে ছোট বল, দস্তানা, তারা, গোলপোস্ট, পতাকা আর বিশ্বকাপ ২০২৬ এর ছোট সাজসজ্জা আঁকা যায়। এতে ছবিটি আর সাধারণ রং করা পৃষ্ঠা থাকে না। এটি হয়ে যায় নিজের হাতে বানানো ফুটবল অ্যালবামের একটি বিশেষ স্টিকার।
বাংলাদেশের শিশুদের জন্য ফুটবল মানেই শুধু বড় স্টেডিয়াম নয়। বিকেলের মাঠ, স্কুলের বিরতি, গলির খেলা, ছাদের পাশে ছোট জায়গা, বৃষ্টির পর ভেজা মাটি, সব জায়গাতেই ফুটবলের মজা। তাই ভোজিন্যার ছবি রং করার সময় শিশুরা নিজের খেলার স্মৃতিও যোগ করতে পারে। হয়তো সে নিজেও কোনোদিন গোলরক্ষক ছিল। হয়তো বল ধরতে গিয়ে হাসাহাসি হয়েছিল। হয়তো শেষ মুহূর্তে বল ঠেকিয়ে সবাইকে অবাক করেছিল। এই পৃষ্ঠায় সেই অনুভূতিগুলো সহজে ঢুকে পড়ে। ভোজিন্যা তখন দূরের দেশের খেলোয়াড় হয়েও খুব কাছের মনে হয়।
এই রং করার পৃষ্ঠাটি পরিবারে একসাথে করলেও খুব মজা। একজন শিশু রং করছে, আরেকজন ধারাভাষ্য দিচ্ছে। বল ডান দিকে যাচ্ছে, না না, হঠাৎ বাঁক নিল, ভোজিন্যা লাফ দেবেন, দস্তানা এগিয়ে গেল। এমন খেলায় কাগজের ছবি যেন ছোট্ট লাইভ ম্যাচ হয়ে যায়। মা বাবা পাশে বসে জিজ্ঞেস করতে পারেন, আজ ম্যাচটা দিনে হচ্ছে নাকি রাতে? দস্তানা কোন রঙের হবে? গ্যালারিতে কারা আছে? বলটা কি খুব জোরে এসেছে? শিশু উত্তর দিতে পারে কথায়, আবার ছবির মধ্যে নতুন কিছু এঁকেও উত্তর দিতে পারে। এভাবেই রং করা আর গল্প বলা একসাথে মিশে যায়।
স্কুল বা শিশুদের ক্রাফট অ্যাক্টিভিটিতেও এই পৃষ্ঠা ভালো মানায়। খেলাধুলা, দেশ, বিশ্বকাপ, দলগত কাজ, কিংবা স্রেফ সৃজনশীল সময়, যেকোনো উপলক্ষে ভোজিন্যা স্টিকার প্রিন্ট করে দেওয়া যায়। প্রত্যেকে নিজের মতো রং করবে। কেউ তাকে খুব সিরিয়াস গোলরক্ষক বানাবে, কেউ কার্টুনের মতো মজার মুখ দেবে, কেউ পেছনে সমুদ্র আঁকবে, কেউ স্টেডিয়ামের আলো। পরে সব ছবি একসাথে রাখলে বোঝা যাবে, একই ছবি কতরকম গল্প বলতে পারে। শিশুদের জন্য এটি খুব আনন্দের, কারণ তারা বুঝতে পারে তাদের নিজের ভাবনাও ছবিকে বদলে দিতে পারে।
যারা আঁকতে ভালোবাসে, তারা ছবির চারপাশে আরও অনেক কিছু যোগ করতে পারে। গোলপোস্টের পাশে পানির বোতল, মাটিতে জুতার ছাপ, ঘাসের ছোট রেখা, আকাশে পাখি, পতাকা হাতে দর্শক, স্কোরবোর্ড, কিংবা বলের গায়ে ছোট মুখ। বলকে হাসিখুশি করা যায়, ভয় পাওয়া দেখানো যায়, আবার দুষ্টু বল বানানো যায়, যে ভোজিন্যার দস্তানা এড়াতে চাইছে। শিশুরা চাইলে গোলপোস্টের জাল আরও বিস্তারিত আঁকতে পারে। কেউ চাইলে নিজের নামও এক কোণে লিখতে পারে, যেন সে এই ফুটবল দৃশ্যের শিল্পী।
রঙের উপকরণ বদলালে ছবির মেজাজও বদলে যায়। রঙিন পেন্সিলে নরম ও সুন্দর কাজ হয়। স্কেচ পেনে ছবিটি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। মোমরং দিলে শিশুসুলভ উষ্ণতা আসে। জলরং ব্যবহার করলে আকাশ আর মাঠে আলাদা কোমলতা পাওয়া যায়। একই ভোজিন্যা পৃষ্ঠা নানা উপকরণে একেক রকম লাগতে পারে। প্রথমবার বাস্তব ম্যাচের মতো করা যায়। দ্বিতীয়বার একেবারে কল্পনার স্টেডিয়াম। তৃতীয়বার দ্বীপের বাতাস, সমুদ্র আর রঙিন আকাশ দিয়ে সাজানো একটি বিশেষ দৃশ্য। আবার প্রিন্ট করা যায় বলে ভুল করার ভয়ও থাকে না।
ভোজিন্যার গল্পে একটি ছোট কিন্তু সুন্দর ভাবনা আছে। সবাই জোরে চেঁচালে, কেউ কেউ চুপচাপ দেখেও অনেক কিছু বোঝে। মাঠে শান্ত থাকা কখনো কখনো বড় শক্তি। ভোজিন্যা সেই ধরনের গোলরক্ষক হিসেবে কল্পনায় আসে। তিনি দলের পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন, কিন্তু একা নন। তিনি দেখছেন, শুনছেন, ইশারা করছেন, অপেক্ষা করছেন। শিশু যখন তাঁর চোখ, দস্তানা, পোশাক আর ভঙ্গি রং করে, তখন সে সেই অপেক্ষার উত্তেজনা অনুভব করতে পারে। কোনো ভারী শিক্ষা নয়, শুধু ফুটবলের আনন্দের মধ্যে লুকানো একটি মিষ্টি অনুভূতি।
এই পৃষ্ঠাটি বিশ্বকাপ ২০২৬ বিষয়ক শিশুদের সংগ্রহেও রাখা যেতে পারে। বল, ট্রফি, মাসকট, অন্যান্য খেলোয়াড়ের ছবি, দলের পতাকা, এসবের পাশে ভোজিন্যা গোলরক্ষকের স্টিকার সুন্দরভাবে মানাবে। শিশুরা চাইলে একটি আলাদা পৃষ্ঠা বানাতে পারে শুধু গোলরক্ষকদের জন্য। সেখানে ভোজিন্যা থাকবে কেপ ভার্দের প্রতিনিধি হিসেবে। পাশে ছোট করে লেখা থাকতে পারে গোলরক্ষক ভোজিন্যা, খেলোয়াড় ভোজিন্যা, জোসিমার দিয়াস, কাবো ভার্দে। এসব শব্দ ছবির ভেতরে স্বাভাবিকভাবে বসে যায়, কারণ এগুলো চরিত্রেরই অংশ।
মা বাবার জন্য এই পৃষ্ঠা স্ক্রিন ছাড়াই আনন্দদায়ক সময় দেওয়ার একটি সহজ উপায়। শিশু টেবিলে বসে, কিন্তু মাথার ভেতর পুরো মাঠ চলছে। দর্শকের শব্দ, বলের গতি, দস্তানার প্রস্তুতি, বাতাসের দুষ্টুমি, সবই তার কল্পনায়। এই কাজ শিশুকে ধীরে ধীরে মনোযোগ দিতে সাহায্য করে, আবার খেলার ভাবনাও ধরে রাখে। সবচেয়ে ভালো হলো, শেষ হলে শিশুর হাতে এমন একটি ছবি থাকে যা সে নিজে বানিয়েছে। সে বলতে পারে, এই রং আমি বেছে নিয়েছি, এই বল আমি এঁকেছি, এই গোলপোস্ট আমি সাজিয়েছি।
যদি কোনো শিশু প্রথমবারের ছবিতে পুরো সন্তুষ্ট না হয়, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। আবার প্রিন্ট করা যায়। এবার জার্সি বদলাবে, দস্তানা বদলাবে, আকাশ বদলাবে, বলের দিক বদলাবে। একদিন ভোজিন্যা দিনের আলোয় খেলবেন, আরেকদিন রাতের আলোয়। একদিন তিনি শান্তভাবে বল ধরবেন, আরেকদিন ঝাঁপিয়ে পড়ে সেভ করবেন। প্রতিটি নতুন প্রিন্ট মানে নতুন ম্যাচ। এই স্বাধীনতাই প্রিন্টযোগ্য রং করার পৃষ্ঠাকে এত প্রিয় করে তোলে।
যারা ভোজিন্যা (Vozinha), জোসিমার দিয়াস (Josimar Dias), গোলরক্ষক ভোজিন্যা, কেপ ভার্দে, কাবো ভার্দে (Cabo Verde) বা খেলোয়াড় ভোজিন্যা খুঁজছেন, তাদের জন্য এই পৃষ্ঠা শিশুদের উপযোগী ফুটবল আনন্দ নিয়ে আসে। এখানে আছে বিশ্বকাপ ২০২৬ এর আবহ, স্টিকার সংগ্রহের মজা, রং করার স্বাধীনতা আর নিজের মতো আঁকার জায়গা। শিশু পৃষ্ঠাটি প্রিন্ট করতে পারে, রং করতে পারে, পেইন্ট করতে পারে, পেছনে নতুন মাঠ আঁকতে পারে, তারপর কেটে নিজের অ্যালবামে রাখতে পারে।
ছবিটি শেষ হলে কাগজে শুধু একজন গোলরক্ষক দেখা যায় না। দেখা যায় শিশুর পছন্দের আকাশ, তার বানানো দস্তানা, তার আঁকা বলের দিক, তার সাজানো গোলপোস্ট এবং ভোজিন্যার শান্ত প্রস্তুতি। হয়তো বল এখনো উড়ছে। হয়তো সেভ হয়ে গেছে। হয়তো দর্শকেরা এক সেকেন্ড পর চিৎকার করবে। সবটাই শিশুর হাতে। আর যখন আবার নতুন পৃষ্ঠা প্রিন্ট হবে, ভোজিন্যা আবার গোলপোস্টের সামনে দাঁড়াবেন, নতুন রং, নতুন শট আর নতুন কল্পনার অপেক্ষায়।

